বিশ্বাসদা শুনতে পাচ্ছেন – বিপুল দাস

বাজার ফেরত হারু দা কে পেলাম মুদি দোকানের সামনে দেখা হল অনেক দিন পর হারুদার সাথে। জিজ্ঞাসা করলাম হারুদার খবর কি? আর খবর! তোরও যা আমারও তাই সবারই তো একই অবস্থা। ঘরে বসে বসে খাচ্ছি ঘুমাচ্ছি আর টেলিভিশনে ই-ক্লাসগুলোতে অ্যাটেন্ড করছি। সেকি? তুমি তো বেশ কিছুদিন হল রিটায়ার করেছ বিজি প্রেস থেকে। তা একজন রিটায়ার্ড পার্সনের …

এ কেমন দিন! চশমাহীন! – প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ

সিরিজঃ চশমাসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত “চশমাটা খসে গেলে মুশকিলে পড়ি” – হ্যাঁ দাদা অনেকদিন আগেই ইস্কুল ছাড়লেও চশমাটা না থাকলে জাস্ট দু’পা ও চলতে পারি না। এখনও। বিশ্বাস করুন চশমাহীন বেঁচে থাকা কার্যত অসম্ভব। এইতো সেদিনের কথা, হাই – প্রোফাইল কবিতা উৎসবে ডাক পায়নি বলে এক কবিবন্ধুকে দেখলাম চশমাটাকে একটু নাকের ডগায় ঝুলিয়ে দিয়ে কে ডাক …

ভ্রমণসঙ্গী সাইকেল – সুরঞ্জন বর্মন

সিরিজঃ সাইকেলসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত সাইকেলের সাথে প্রথম পরিচয় হয় আমার চার বছর বয়সে। তখন বাবার সাইকেলে চেপে বেড়াতে যেতাম। সাইকেলের রডের সাথে আমার জন‍্য ছোট একটা সিট বসানো ছিল। যাতে আমি আরাম বসতে পারি ।সে সময় সাইকেলের ক্রিং ক্রিং আওয়াজটা ভাল  লাগলো অপ্রয়োজনেও বাজাতাম। বাবা যখন থকতো না সাইকেলটাকে টেনে নিয়ে যাঔয়ার চেষ্টা করতাম। মাঝে …

সাইকেলের সুদিন – মিনতি গোস্বামী

সিরিজঃ সাইকেলসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত সাইকেল এই দ্বিচক্র যানটির সঙ্গে ছোট থেকেই পরিচিতি ঘটেছে। আমাদের সমযকালে বাস ট্রেনের অত চল ছিলনা। মানুষ পায়ে হেঁটে এগ্ৰাম,সে গ্ৰাম যেত। সাইকেল যানটি তখনকার দিনের গ্ৰামাঞ্চলের মধ‍্যবিত্ত বাড়ির স্ট্যাটাস ছিল। বাবু গোছের লোকেরা  সাইকেল নিয়ে দূর দূরান্তে যেত। বছর পঞ্চাশ আগে গ্ৰামাঞ্চলে ও মফস্বলেও   ঘড়ি আংটির সঙ্গে সাইকেল ও বিয়ের যৌতুকের …

দু’পাশে তার চাকা আর মধ্যি খানে ফাঁকা – সুদীপ পাঠক

সিরিজঃ সাইকেলসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপ। চতুর্দিকে ধ্বংসের চিহ্ন ছড়ানো। অর্থনৈতিক মন্দা, বেকারত্ব, হাহাকার। এর মধ্যে চলছে জীবন সংগ্রাম। দাঁতে দাঁত চেপে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করে চলেছে মানুষ। সে এক অসম প্রতিযোগিতা। ইতালিতে এমনই একজন মানুষ সম্পূর্ণ কর্মহীন হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। স্ত্রী পুত্রকে নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? কি করবে এখন? এই সমস্ত অমীমাংসিত প্রশ্নের …

আত্মনির্ভর, প্রেম ও একটি সাইকেল – প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ

সিরিজঃ সাইকেলসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত নিজের পা দুটো বাদ দিলে মানুষের সবচাইতে আত্মনির্ভর যানবাহন অবশ্যই বাই সাইকেল। হেলমেট পরলে হেয়ার স্টাইলের দফারফা? চুল নিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে চুলোচুলি হবার উপক্রম! পেট্রোল খরচ চালাতে গিয়ে প্রাণ ওষ্ঠাগত? রোজ বাইক চালানোর জন্য মধ্যপ্রদেশের হালকা মেদ অবশেষে তীব্র আকার নিচ্ছে?– কুছ পরোয়া নেহি । আছে না বাই সাইকেল! কী বলছেন …

পাঠকের নোটবুকঃ যত সব বাগাড়ম্বর – সুদীপ পাঠক

পাঠকের নোটবুকঃ প্রথম পর্ব ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আজ আমার জন্মদিন। তবে যেহেতু বাংলা মতে পয়লা জৈষ্ঠ্য আমার ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিন তাই নিয়ম মাফিক জননী গতকাল পরমান্ন রেঁধেছিলেন। পারিবারিক প্রথা মেনে চিরকাল এটাই হয়ে আসছে। জ্ঞান হবার পর থেকে বহুবার শুনেছি নিজ জন্ম বৃত্তান্ত। আমার মাতুলালয় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুভাষগ্রামে। আগে নাম ছিল চাংড়িপোতা। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর …

মুঠোফোনে বন্দী প্রাণ – বিপুল দাস

রণে বনে জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়িবে আমাকে স্মরণ করিও, আমিই রক্ষা করিব। মনেপ্রাণে সবাই কথাটাকে গ্রহণ করতে পেরেছিল বলে মনে হয়না। যদি পারতো তবে লোকনাথের ভক্ত সংখ্যা গিনেস বুকে নাম লেখাতো। লোকনাথ যা পারেন নি তা ছোট্ট ইলেকট্রনিক গ্যাজেট করে দেখিয়েছে এ যুগে, তাও মূলত লোকনাথ সীমাবদ্ধ দেশের গণ্ডীতে, আর এই ছোট্ট গ্যাজেটের সীমাবদ্ধতা খুঁজতে …

একটি অসমাপ্ত ছবি – রূপক সান্যাল

তোমার ছবিটা আজও আঁকা শেষ হ’লো না। বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যেই….। মেনে নিও কথার খেলাপ। ইজেলে কাগজ সাঁটা এখনো – স্কেচটাও প্রায় শেষ; যদিও হয়নি চক্ষুদান। …. কত রঙ ছিল আমার – নানান মাপের তুলি, নানা রঙের পেন্সিল ছিল। তোমার দারুণ একটা ছবি আঁকবো ব’লে হাত মকশো ক’রেছি খাতার পর খাতা…. । তুলিগুলো কোথায় হারিয়ে গেছে, কয়েকটা …

বেড়াতে – রূপক সান্যাল

বেড়াতে যদি তোমার সাথে কোনদিন পাহাড়ে বেড়াতে যাই, তাহলে সিনেমার নায়িকাদের মত তোমার বুকের ওড়না বাতাসে উড়ে এসে পড়বে না আমার মুখের ওপর— এ একরকম নিশ্চিত করে বলাই যায়। তুমি তো আমার চশমা, তুমি আমার হাতঘড়ি, কলম। তুমি তো হীরের আঙটি নও। তোমার জন্য আমিও প্যান্ডেল বাঁধিনি কোনদিন।   তোমাকে নিয়ে যদি কখনো সমুদ্রে বেড়াতে …