বিশ্বাসদা শুনতে পাচ্ছেন – বিপুল দাস

বাজার ফেরত হারু দা কে পেলাম মুদি দোকানের সামনে দেখা হল অনেক দিন পর হারুদার সাথে। জিজ্ঞাসা করলাম হারুদার খবর কি? আর খবর! তোরও যা আমারও তাই সবারই তো একই অবস্থা। ঘরে বসে বসে খাচ্ছি ঘুমাচ্ছি আর টেলিভিশনে ই-ক্লাসগুলোতে অ্যাটেন্ড করছি। সেকি? তুমি তো বেশ কিছুদিন হল রিটায়ার করেছ বিজি প্রেস থেকে। তা একজন রিটায়ার্ড পার্সনের …

আজব চশমা – নুপুর সাহা

সিরিজঃ চশমাসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত মিরাকেল ! অবশেষে আজবচশমা এলো হাতে।প্রফেসর তৈরি করেছেনতা, কোনো এক রাতে। মুখোশের ভিতর যেমন-থাকে মুখটি লুকোনো,চশমার ভিতর তেমনিগূঢ় দৃষ্টি ঢোকানো। চশমার পুরু কাঁচে মনেরগোপন ছবি হয় স্পষ্ট।চোখে এঁটে চশমা দেখাযায় ভেতরটা কার কতো নষ্ট ! কে যে কতো হাবিজাবিআঁকছে দিবারাত্র!কার ঘটে কতো বুদ্ধি,বোঝা যায় কে কেমন পাত্র। হিসাবের খাতা খুলে শুধুকষে অঙ্ক, …

এ কেমন দিন! চশমাহীন! – প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ

সিরিজঃ চশমাসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত “চশমাটা খসে গেলে মুশকিলে পড়ি” – হ্যাঁ দাদা অনেকদিন আগেই ইস্কুল ছাড়লেও চশমাটা না থাকলে জাস্ট দু’পা ও চলতে পারি না। এখনও। বিশ্বাস করুন চশমাহীন বেঁচে থাকা কার্যত অসম্ভব। এইতো সেদিনের কথা, হাই – প্রোফাইল কবিতা উৎসবে ডাক পায়নি বলে এক কবিবন্ধুকে দেখলাম চশমাটাকে একটু নাকের ডগায় ঝুলিয়ে দিয়ে কে ডাক …

যে কথা হয়নি বলা – জিয়াউর সেখ

সিরিজঃ চশমাসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত এখন স্কুলে যাবার জন্য তৈরি হচ্ছে বিভা। একটা হাইস্কুলে পড়ায় সে । সকাল থেকে তার মা বারবার বলছে ‘আজ আর স্কুলে যাসনে না মা।পাত্রপক্ষ দেখতে আসবেন বলেছেন ।তাদের পছন্দ হয়ে গেলে তোদের চার হাত এক করে দেব খুব তাড়াতাড়ি , তাই ভাবছি।’ কিন্তু বিভা মুখ ভার করে জবাব দিল ‘স্কুলে আমাকে …

চশমা কেন এল? – শক্তিপ্রসাদ ঘোষ

সিরিজঃ চশমাসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত বঙ্কুবাবুর খেয়াল হলচশমা কেন এলসেটা ভেবে দৌড়ে তিনি গ্রন্থাগারে গেলহাজার বই নামিয়ে নিয়েটেবিল করে ভর্তি বলেন সে সবার কাছে এটাই আমার আর্তি বইয়ের ভেতর লুকিয়ে দিলেন মুখটি গুজে কিছুই নাকি পেলেন না চশমা ছাড়া খুঁজে। আরও পড়ুন >> সুজান মিঠির উপনেত্র

উপনেত্র – সুজান মিঠি

সিরিজঃ চশমাসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত বরেন্দ্র বাবুর গৃহস্থে যেমন আছে বনেদিয়ানা, তেমনই তাঁর উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দীর্ঘকালীন ব্যবসাও রীতিমত বনেদী এবং অভিজাত। তাঁর বাড়ির প্রত্যেক প্রজন্মই করে এসেছে এই ব্যবসা, উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে আভিজাত্য, শ্রী এবং প্রসার। সেই কবে তাঁর পিতামহ শুরু করেছিলেন চক্ষু সমস্যার সমাধানের উপায়, চশমা প্রস্তুত ও বিক্রি, সেই অবধি চলেই আসছে এই …

পাঠকের নোটবুকঃ অমৃতফল (পর্ব ২/৬) – সুদীপ পাঠক

দাদুর চোখে জল! দাদু কাঁদছে! তার জন্যই আজ সকলের সামনে দাদুর এই রকম হেনস্থা। এতো সবের মূলে একমাত্র সে দায়ী। নিজের ওপর একটা ভীষণ রকম লজ্জা আর রাগ হলো তার। বুদ্ধু চিৎকার করে বলল — দাদু কেঁদো না, আমি এইখানে।  সবাই এক সঙ্গে মুখ তুলে চাইল। এক লহমায় সবাই অবাক! বড়মামা চোখ পাকিয়ে বলল  — …

স্বামী বিবেকানন্দের সাংবাদিকতা-চর্চা (পর্ব ৩/৬)- পৃথ্বী সেনগুপ্ত

উদ্বোধন: ১৮৯৪-র ২৫শে সেপ্টেম্বর বরাহনগর মঠের গুরুভাইদের উদ্দেশ্য স্বামীজী লিখলেন, “একটা খবরের কাগজ তোমাদের edit (সম্পাদন) করতে হবে, আদ্দেক বাঙলা, আদ্দেক হিন্দি-পারো তো আর একটা ইংরাজীতে৷ পৃথিবী ঘুরে বেড়াচ্ছ-খবরের কাগজের subscriber (গ্রাহক) সংগ্রহ করতে ক-দিন লাগে? যারা বাহিরে আছে, subscriber যোগাড় করুক৷” এই সময়ে মাদ্রাজ থেকে ‘ব্রহ্মবাদিন’ প্রকাশিত হলেও তা বাংলাভাষায় নয় এবং সঙ্ঘের পত্রিকাও …

ভ্রমণসঙ্গী সাইকেল – সুরঞ্জন বর্মন

সিরিজঃ সাইকেলসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত সাইকেলের সাথে প্রথম পরিচয় হয় আমার চার বছর বয়সে। তখন বাবার সাইকেলে চেপে বেড়াতে যেতাম। সাইকেলের রডের সাথে আমার জন‍্য ছোট একটা সিট বসানো ছিল। যাতে আমি আরাম বসতে পারি ।সে সময় সাইকেলের ক্রিং ক্রিং আওয়াজটা ভাল  লাগলো অপ্রয়োজনেও বাজাতাম। বাবা যখন থকতো না সাইকেলটাকে টেনে নিয়ে যাঔয়ার চেষ্টা করতাম। মাঝে …

লিমেরিক – সুমনা সেনগুপ্ত

সিরিজঃ সাইকেলসম্পাদনাঃ শোভন সেনগুপ্ত , অমরজিৎ মণ্ডল পাশাপাশি তবু দুরত্ব রেখে চলাপ্রয়োজন মতো দু-চারটি কথা বলাসঙ্গী করে বাই-সাইকেলসরতে বললে ক্রিংক্রিং বেলব্যস্ত ট্র্যাফিক, তপ্ত দহন-বেলা।ক্লান্তপথে ঘর থেকে ঘরে ফেরাসময় বলছে দু-চাকাই হবে সেরা প্যাডেলেতে পাঘামে-ভেজা গাখোলা আকাশে এককোণে ধ্রুবতারা। আরও পড়ুন >> সাইকেলের সুদিন >>