ভ্রমণ

সদ্য ঘুরে আসা ত্রিকুট পাহাড় – মৌসুমী ভৌমিক

সিরিজঃ ভ্রমণ ব্রহ্মাণ্ড 2.0
সম্পাদনাঃ অমরজিৎ মণ্ডল

ডিসেম্বর ২০১৯। ক্রিসমাসের ছুটিতে বেরিয়ে পড়লাম আমরা। উদ্দেশ্য ছোটখাটো একটি ট্যুর। প্রথমে আমরা পৌঁছলাম গয়া। শীতকালে শীত হবেই তবু আশা ছিল গ্যাংটকের (বর্তমান বাসস্থান) থেকে কমই হবে। সকাল ন’টা সাড়ে নটা হবে হোটেলে পৌঁছই। ততটা ঠান্ডা তখনও লাগেনি অল্প রোদ কুয়াশা চলছে। আমার শাশুড়ি মায়ের পিন্ডদান দেবো বহু বছর ধরে ভেবে রেখেছিলাম। পৌঁছে ভাবলাম সকাল থেকে তো না খেয়ে রয়েছি তো কাজটা সেরে ফেলা যাক। ওখানকার পুরোহিত বললেন সেটাই ভালো হবে আমরা ব্যাগ পত্র হোটেলে রেখেই তৈরি হয়ে নিলাম যাবার জন্য। পুরোহিতের সঙ্গে পৌঁছলাম ফল্গু নদীর ওপর। এতদিন মা দিদিমার কাছে গল্প শুনেছি মাটির নীচ দিয়ে ফল্গু নদী বয়ে যায়। প্রথমবার দেখা, আমার মনে তখন রোমাঞ্চ। আমি ও আমার স্বামীর সঙ্গে আমার ছোট মেয়ে তুলতুল (ডাকনাম)। প্রথম দেখছি ফল্গু নদী, একটা রোমহর্ষক ব্যাপার। যাই হোক প্রচন্ড ঠান্ডা তার মধ্যে নদীর চরে প্রচন্ড হাওয়া, জলের দিকে যাওয়া যাচ্ছে না অগত্যা পুরোহিত বললেন এই ফল্গু নদীর উপরেই শাশুড়ি মায়ের পিন্ডদান করতে। একটু খানি বালি সরাতেই জল উঠে এলো তার পাশেই সবকিছু সাজিয়ে ফল্গু নদীর জল দিয়েই আমাদের কাজ সমাধা করা হল। গয়াতে ফল্গু নদীর পাশেই বিখ্যাত বিষ্ণুপদ মন্দির। আশেপাশের মন্দিরগুলো দেখে হোটেলে ফিরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর বুঝলাম দিনের বেলাতেও প্রচন্ড কুয়াশা। রাস্তাঘাট ক্রমশ জনমানব শূন্য হয়ে উঠলো। যাইহোক প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাঁপতে কাঁপতেও বিকেল নাগাদ আশেপাশে একটু ঘুরে এলাম। সূর্যমন্দির, পাতালেশ্বর শিব ও অক্ষয়বট গয়ার দর্শনীয় স্থান। সন্ধে হতে হতে দুই হাত দূরের লোক দেখা যাচ্ছে না আমরাও প্রচন্ড শীত অনুভব করতে লাগলাম। পরবর্তীতে জেনেছি সেদিনই ছিল সেই মরশুমের শীতলতম দিন।

পরদিন সকালে উঠে দেখি এক হাত দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছে না, গরম জলে কোনোক্রমে স্নান সেরে আমরা রওনা হলাম বোধগয়া। গয়া থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অটো করে পৌঁছে গেলাম বোধগয়া। বৌদ্ধদের কাছে জায়গাটি খুবই পবিত্র স্থান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বৌদ্ধদের আর্থিক সাহায্যে এখানে অসংখ্য মন্দির, ধর্মশালা, বিহার ও সাধনাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে যা বুদ্ধগয়াকে একটা আন্তর্জাতিক নগরীতে পরিণত করেছে।

পৌঁছে সেখানে একটি টোটো ভাড়া করে প্রথমে আমরা স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখলাম। আশি ফুট বুদ্ধমূর্তিটি বুদ্ধগয়ার অন্যতম আকর্ষণ। মূর্তিটি জাপানি ভক্তদের দ্বারা তৈরী। মূর্তিটির দু’পাশে দাঁড়ানো অন্যান্য প্রখ্যাত বুদ্ধভক্তদের মূর্তিও রয়েছে। 

এছাড়াও রয়েছে অনন্য শিল্প নৈপুণ্যে সমৃদ্ধ থাই মন্দিরটি। থাই মন্দিরের ভেতরে রয়েছে অষ্টধাতুর একটা বুদ্ধ মূর্তি। তিব্বতি মন্দির ও জাপানি মন্দিরও এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।

স্থানীয় দর্শন শেষ হবার পরে মূল আকর্ষণ মহাবোধি মন্দিরে যাবার জন্য লাইন দিতে হল। মোবাইলের প্রবেশাধিকার নিষেধ, অগত্যা মোবাইল, পার্স, ক্যামেরা সব নির্ধারিত কাউন্টারে জমা রেখে লাইন অনুসরণ করে মূল মন্দিরের পৌঁছই। সে এক অভূতপূর্ব শান্তির জায়গা। ভগবান বুদ্ধের প্রতিকৃতি যেখানে রয়েছে সেখানে গেলে আপনা থেকেই নতজানু হয়ে যায় প্রত্যেকে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছাড়াও পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে অন্য ধর্মের লোকেরাও এখানে সারাবছর ভিড় করে ছুটে আসে ভগবান বুদ্ধের দর্শনে। মহাবোধি মন্দির বর্তমানে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। 

মহাবোধি বিহার মন্দিরটি মঠের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। মহাবোধি মন্দিরটি অপূর্ব শিল্প নৈপুণ্যে নির্মিত। দ্বিতল মন্দিরটির নীচের অংশ ৪০ বর্গফুট আর উচ্চতা ১৭০ ফুট, চতুষ্কোণাকৃতি। খ্রীষ্টপূর্ব ১৮৪-১৭২ শতকের এই মন্দিরে রয়েছে প্রাচীন সুদৃশ্য বেষ্টনী দিয়ে ঘেরা সুবর্ণ বুদ্ধ। মঠের ভেতরে চারদিকেই বৌদ্ধ পুণ্যার্থীরা ধ্যান বা প্রার্থনার মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকেন। সম্রাট অশোক মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। বুদ্ধগয়ার এই মহাবোধি বিহার বৌদ্ধদের কাছে পবিত্র ও শ্রেষ্ঠতম তীর্থ স্থান হিসেবে পূজিত হয়। সারা বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ও নির্বাণকামী মানুষ এই স্থানে এসে তীর্থদর্শন করেন ও তাদের মনোবাঞ্ছা পুরণার্থে ধ্যান-সমাধি করেন ও পূজা দিয়ে থাকেন।

পরম পবিত্র বোধিবৃক্ষটি বুদ্ধগয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। মন্দিরের পশ্চিম দিকে পবিত্র বোধিবৃক্ষটি অবস্থিত। পালিশাস্ত্রে এই গাছটির নাম বোধিমণ্ড। এই বৃক্ষের নিবিড় ছায়ায় বসেই সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধত্ব বা জ্ঞানলাভ করেছিলেন। এই বোধিবৃক্ষটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন বৃক্ষরূপে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। ঝড়-ঝাপটা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানুষের অত্যাচার সহ্য করে এখনও দাঁড়িয়ে আছে। বোধিবৃক্ষের ছায়ার নিচে আজও বৌদ্ধ পুণ্যার্থীরা প্রার্থনা করে থাকেন।

পাশেই সুজাতা দিঘি – কথিত আছে, এই দিঘির জলে স্নান করে সুজাতা পায়েস নিবেদন করেছিলেন বুদ্ধদেবকে।

বোধগয়া দর্শন করে দ্বিপ্রাহরিক আহার সারার পর আমরা রওনা দিলাম দেওঘর। উদ্দেশ্য বৈদ্যনাথ ধাম দর্শন। দেওঘরে শিবলিঙ্গ বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম। সবার বিশ্বাস যেকোনো ভক্ত একান্ত ভাবে কোনো প্রার্থনা নিয়ে এলে বাবা বৈদ্যনাথ তার মনোকামনা পূর্ণ করেন। দেওঘরে মহাদেব রাবণেশ্বর শিব নামেও প্রসিদ্ধ। শিব পুরাণ অনুসারে লঙ্কার রাজা রাবণের তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে মহাদেব রাজি হন তাঁর সঙ্গে লঙ্কায় যেতে। তবে পথে কোথাও থামা চলবে না। এটাই শর্ত। রাবণ যখন মহাদেবকে নিয়ে চলেন লঙ্কার উদ্দেশ্যে তখন দেবতারা প্রমাদ গোনেন, রাবণকে বাধা দিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। দেবতাদের চক্রান্তে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাধ্য হন রাবণ শিবলিঙ্গকে মাটিতে নামিয়ে রাখতে। সেই থেকে রাবণেশ্বর শিবের প্রতিষ্ঠা দেওঘরে। তথাপি দেওঘর বাবা বৈদ্যনাথ ধাম নামেই সুপরিচিত এবং এটি একটি জাগ্রত শক্তিপীঠ। কথিত আছে দক্ষযজ্ঞে নিহত সতীর দেহ নিয়ে মহাদেব যখন প্রলয় নৃত্য শুরু করেছিলেন তখন বিষ্ণু চক্র দিয়ে সতীর দেহ খন্ড খন্ড করে ফেলেন। যেখানে যেখানে সতীর দেহাঙ্গ পরে সে জায়গা গুলোকে পীঠস্থান বলেই মানা হয়। সতীর হৃদয় পড়েছিল দেওঘরে, কথিত আছে তাই এই স্থান শিবের সবচেয়ে প্রিয়। সারাবছর অসংখ্য শিবভক্ত ভগবান শিবের পূজার্চনা করার জন্য ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেওঘরে আসে।

যাইহোক রাত্রি আটটা সাড়ে আটটা নাগাদ আমরা জেসিডি স্টেশনে পৌঁছই। আমরা দেওঘরে পৌঁছে জানতে পারি তখন সৎসঙ্গ আশ্রমের উৎসব চলছে। ফলতঃ আমাদের একটু বেগ পেতে হল হোটেল পেতে। তবে যে হোটেলে আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয় সেটি সৎসঙ্গ আশ্রমের প্রায় কাছাকাছি। পরদিন সকালে প্রথমেই আমরা সৎসঙ্গ আশ্রম দর্শন করি। ভিতরে একটা শান্তিময় পরিবেশ। চারিদিকে ঠাকুরের বাণী লেখা। উৎসব চলছিল সেজন্য প্রচণ্ড ভিড়। উৎসব উপলক্ষে অনুকূল ঠাকুরের শিষ্যদের সেসময় দেওঘরে আগমন। দেওঘরে না গেলে অনুকূল ঠাকুরের আশ্রমের এত বিশাল কর্মকান্ড হয়ত আমার অজানাই থাকত। সেদিনের মত আমরা বেরিয়ে পড়ি বাবা বৈদ্যনাথ ধামের উদ্দেশ্যে, পৌঁছে সেখানে পুজো দিয়ে বাবা বৈদ্যনাথের আশীর্বাদ প্রার্থনা করি। মূল মন্দিরের ঠিক উল্টো দিকে মা পার্বতীর মন্দির। চারিদিকে বিভিন্ন দেব দেবীর অসংখ্য মন্দির। সব মন্দিরেই আমরা প্রবেশ করলাম। তারপর দুপুরের আহারাদির পর আমরা নন্দন পাহাড় যাই। নন্দন পাহাড় শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে এখানে ছোটদের পার্ক রয়েছে, রয়েছে টয়ট্রেন ও ছোটদের নানান খেলার সামগ্রী। টয় ট্রেনে করে পাহাড়ের বেশ কিছুটা অংশ ঘোরানো হয় এখানে। অনেক রকম মডেল, ফোয়ারা, দোলনা, ফুলের বাগান আরো কতো কী। এছাড়া একটি জুতোর আকৃতির ফিশ অ্যাকোয়ারিয়াম ও একটি কঙ্কালের আকৃতির ভূত ঘরও আছে। নন্দন পাহাড়ের পার্কের পাশেই কিছুটা উপরে উঠেই রয়েছে মা কালী সরস্বতী হনুমান ও শিবসহ বিভিন্ন দেব দেবীর মন্দির। নন্দন পাহাড় থেকে ফিরে সন্ধেবেলা আবার বাবা বৈদ্যনাথ মন্দির। সকলে মিলে সান্ধ্য আরতি দেখে তারপর দেওঘরে ফিরে মার্কেটে নানারকম শীতবস্ত্রের সম্ভার দেখে কিছু কেনাকাটা করে ফেললাম আমরাও।

পরদিন সকালে ত্রিকুট পাহাড় দর্শন করার জন্য সকাল সকাল স্নান সেরে সকালের প্রাতঃরাশ সেরে আমরা বেরিয়ে পড়ি ত্রিকুট পাহাড়ের উদ্দেশ্যে। ত্রিকুট পাহাড় মোটামুটি ১৬ থেকে ১৮ কিলোমিটার দেওঘর থেকে। রাস্তায় যেতে যেতে আমরা প্রথমে নওলক্ষা মন্দিরে যাই। নওলক্ষা মন্দির এক উত্তম স্থাপত্যের নিদর্শন। এখানে গোপালের বাস। মন্দির নির্মাতার একটি মূর্তি মন্দিরে ওঠার সিঁড়ির কাছেই রয়েছে। শোনা যায় তথকালীন সময়ে এই মন্দির নির্মাণে ৯ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল। তাই মন্দিরের এই নাম। মন্দিরের ভিতরে ফোটো তোলা নিষেধ। 

এরপর রওনা দিই তপোবনের দিকে। তপোবনে পৌঁছে এক ফটোগ্রাফার নাছোড়বান্দা ফটো তুলবে বলে সঙ্গে সে গাইডের কাজ করবে। আমরাও সানন্দে খুশি হয়ে গেলাম। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগলাম আর পথে বিভিন্ন মন্দির আর তার সাথে ফটো তোলা ও সেখানকার গল্প শোনা চলতে থাকল। এভাবেই আমরা পাহাড়ের উপরে উঠলাম। ননীচে নামার দুটো উপায়। হয় যে পথে উঠেছি সেই সিঁড়ি দিয়ে নামতে হবে, অথবা গুহা পথে এগোতে হবে। আমরা দ্বিতীয় পথেই নামতে শুরু করলাম। পথটা একটু ভয়ানক হলেও বেশ রোমাঞ্চকর। কখনও বাঁকা হয়ে কখনো নিচু হয়ে, কখনও বা হামা দিয়ে আবার কখনও পাথরে পিঠ দিয়ে এগিয়ে চলা। এভাবেই আমরা নীচে নামলাম।

এরপর আমাদের যাত্রার শেষ বিন্দু ত্রিকুট পাহাড়। তিনটি বড়ো মাপের পাহাড় পাশাপাশি অবস্থিত। তিনটি পাহাড় যথাক্রমে ব্রহ্মা, বিষ্ণু আর মহেশ্বর রূপে কল্পনা করে স্থানীয় মানুষজন। তিনটির মধ্যে দুটিতে ট্রেকিং করা যায় ও একটিতে খাড়াইয়ের জন্য হেঁটে ওঠা যায়না। প্রধান শৃঙ্গটিতে একটি রোপওয়ে চালু আছে। অবশ্য আমরা রোপওয়েতে উঠিনি। অপূর্ব সুন্দর একটি পাহাড়ের মাথায় একটি প্রাচীন শিব মন্দির আছে। এখানকার নৈসর্গিক দৃশ্য খুব খুব সুন্দর তবে বানরদের মুক্তাঞ্চল। সাবধান নাহলে আপনার হাতের পার্স থেকে মোবাইল সবই তাদের হস্তগত হতে পারে। ভ্রমণার্থীরা ছোলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের খাবার ওদের দিয়েও থাকে এবং বানররা সেটা নিতেও বেশ অভ্যস্ত দেখলাম। ত্রিকুট পাহাড়ে উঠতে গিয়ে এরকম অভিজ্ঞতা আমারও হল। এক বাঁকে হঠাৎ করে একবার এক বানর এসে আমার চুড়িদার ধরে দাঁড়িয়ে গেল আমি তো ভয়ে একসা। আমার হাজবেন্ডের কাছে কিছু ছোলা ছিল সেটা সঙ্গে সঙ্গে দিয়ে দেওয়াতে সে যাত্রায় বেঁচে যাই। সে আমাকে ছেড়ে ছোলা নিয়ে চলে যায়। কিছু চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে পৌঁছে যাই চূড়ায় যেখানে প্রাচীন শিব মন্দির। ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে ফটো তুলতে যাব ঠিক তখনই সবাই চিৎকার করে ওঠে। ঘুরে দেখি একটি বানর একদম আমার কাছে, কোনওক্রমে ব্যাগের মধ্যে মোবাইল রেখে হতচকিত আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি। তারপর সকলের সাথে মন্দিরে প্রণাম সেরে নেমে আসি।

ফেরার পথে যাই দেওঘরের রামকৃষ্ণ মিশনে। মিশনের মোহময়ী ও শান্ত পরিবেশ বেশ উপভোগ্য। অবশেষে রাতের বাসে রওনা দিলাম আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে।

আরও পড়ুন >> জলসাঘরে কিছুক্ষণ – নিমতিতা রাজবাড়ি >>

Facebook Comments

You Might Also Like