টোটকা নানাবিধ

এস.এম.এস. – কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়

sms kamalbikash bandopadhyay

এস.এম.এস.

জেন ওয়াই জীবনের সঙ্গে আজ ‘শর্ট মেসেজ সার্ভিস’ যাকে আমরা ছোট করে বলি ‘এস এম এস’ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। কাছের মানুষদের হাল-হকিকত জানার জন্য আমরা বর্তমানে ফোনে কথা বলার পাশাপাশি এই পরিষেবাটির সাহায্য নিয়ে থাকি। গত শতাব্দীতেও আমরা দূরে বসবাস করে এমন আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতাম চিঠি বা টেলিগ্রাফের মাধ্যমে। শুনেছি, আফ্রিকার গভীর জঙ্গলের অধিবাসীরা দূরে সংবাদ আদানপ্রদানের জন্য টকিং ড্রামের সাহায্য নিয়ে থাকে। মোবাইল নামক ছোট্ট যন্ত্রটি হাতে আসার পর এখন সংবাদ আদানপ্রদানের পুরোনো পদ্ধতিগুলি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিতে শুরু করেছে। বর্তমানে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাও জানে এস এম এস কী এবং কীভাবে সেটা ব্যবহার করতে হয়। মোবাইল এখন সবার হাতে হাতে। মোবাইল ছাড়া আধুনিক জীবনযাত্রার কথা ভাবাই যায় না। এবারে যদি জিজ্ঞেস করি, আপনার জীবনের প্রথম মোবাইল ফোনটির কথা ? ভেবেচিন্তে হয়ত সেটার কথা বলে দিতে পারবেন। আর যদি জানতে চাই আপনার মোবাইল থেকে কবে প্রথম এস এম এস করেছিলেন ? আমি নিশ্চিত, শুধু আপনিই নন, অধিকাংশ মানুষই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাবেন। এরপর যদি বলি, বিশ্বের প্রথম এস এম এস-টা কী ছিল এবং কে করেছিলেন? কী, মাথায় আসছে না তো?


১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর। বছর বাইশের এক ব্রিটিশ তরুণ ইঞ্জিনিয়ার একটি অরবিটেল ৯০১ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভোডাফোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রথম এস এম এস পাঠান। তাতে মাত্র দুটি শব্দ লেখা ছিল – ‘মেরি ক্রিসমাস’। নিল প্যাপওয়ার্থ নামের এই তরুণ ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ারের হাত ধরেই ১৯৯৩ সালে সুইডেনে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে এস এম এস-এর ব্যবহার শুরু হয়। এরপরে এর ব্যবহার শুরু হয় আমেরিকা ও ইংল্যান্ডে। পরের বছর ফিনল্যান্ডের মোবাইল সংস্থা নোকিয়া এস এম এস পরিষেবাযুক্ত প্রথম মোবাইল ফোন ‘নোকিয়া ২১১০’ বাজারে আনে। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে সারা বিশ্বে এস এম এস-এর ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে এটি সংবাদ আদানপ্রদানের একটি অতি জনপ্রিয় মাধ্যম।


সিদ্ধ ডিমের কুসুমে কালচে-সবুজ রং দেখা যায় কেন? >>

কিছু কথা প্রফেসর শঙ্কুকে নিয়ে >>

বল পয়েন্ট পেন আবিষ্কার হল কিভাবে ? >>

সত্যিই কি সমাধান পাওয়া গেল বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল রহস্যের ? >>

sms kamalbikash bandopadhyay

Facebook Comments

You Might Also Like